ভুটানের বিপক্ষে ম্যাচের প্রথমার্ধে একের পর এক গোলের সুযোগ তৈরি করেও কাজে লাগাতে পারেনি বাংলাদেশ। আক্রমণে আধিপত্য দেখালেও প্রতিপক্ষের জালে বল জড়াতে ব্যর্থ হয়েছেন জামাল ভূঁইয়ারা। ফলে বিরতিতে দুই দলই রয়েছে গোলশূন্য সমতায়।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে বাংলাদেশ। ষষ্ঠ মিনিটেই গোলের সুযোগ তৈরি হয়। ডান দিক থেকে রাকিব হোসেনের বাড়ানো ক্রস বক্সে থাকা বিশ্বনাথ ঘোষের দিকে যাচ্ছিল। তবে তার কাছে পৌঁছানোর আগেই বল ক্লিয়ার করেন ভুটানের এক ডিফেন্ডার। ফিরতি বলে বক্সের বাইরে থেকে জোরালো শট নেন জামাল ভূঁইয়া। সেটিও প্রতিহত হয় ভুটানের রক্ষণে।
১৮তম মিনিটে আবারও সুযোগ পায় বাংলাদেশ। রাকিবের ক্রস থেকে দূরের পোস্টে হেড করেছিলেন বিশ্বনাথ। তবে তার হেড লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। রাইট ব্যাক বিশ্বনাথকে এ ম্যাচে খেলানো হচ্ছে সেন্টার ফরোয়ার্ড হিসেবে।
২৫তম মিনিটে আরও একটি সহজ সুযোগ নষ্ট করেন বিশ্বনাথ। প্রায় ফাকা জায়গা থেকে শট নিতে গিয়ে বল পোস্টের বাইরে পাঠান তিনি। ৩৯তম মিনিটেও গোলের সুযোগ পেয়েছিলেন এই ফুটবলার। সামনে শুধু ভুটানের গোলকিপারকে পেয়েও কোনাকুনি শটটি লক্ষ্যে রাখতে পারেননি।
এদিকে ম্যাচের ১৮তম মিনিটে বল দখলে নিতে গিয়ে মাথায় আঘাত পান ভুটানের অর্গিয়েন ওয়াংচুক। বাংলাদেশের এক ডিফেন্ডারের সঙ্গে মাথার সংঘর্ষে মাঠে পড়ে যান তিনি। প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য তাকে মাঠের বাইরে নেয়া হয়। পরে ২০টা ৩৬ মিনিটে অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়।
প্রথমার্ধে ভুটানও একবার বাংলাদেশের গোলমুখে শট নিতে সক্ষম হয়। ৪০তম মিনিটে নেয়া সেই শট অবশ্য খুব একটা বিপদ তৈরি করতে পারেনি। সহজেই বলের নিয়ন্ত্রণ নেন বাংলাদেশের গোলকিপার মেহেদী হাসান শ্রাবণ।
৪৪তম মিনিটে জামাল ভূঁইয়ার ফ্রি কিক থেকে আবারও গোলের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল বাংলাদেশের। শমিত সোম হেডে বল পেছনে পাঠান। গোলমুখে থাকা জিদান ইউসুফ ও সাদ উদ্দিনের কেউই বলে মাথা ছোঁয়াতে পারেননি। ফলে আরও একটি সম্ভাবনা নষ্ট হয় বাংলাদেশের।


















