Advertisement

নগরবাসীর দুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত কাজ শেষ করার নির্দেশ প্রশাসক ডা. শাহাদাতের

নগরবাসীর দুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত কাজ শেষ করার নির্দেশ প্রশাসক ডা. শাহাদাতের
রবিবার সকালে নগরীর ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের ব্যারিস্টার সোলতান আহমেদ কলেজ রোড পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ডা. শাহাদাত হোসেন। এ সময় তিনি এলাকার সড়ক ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার বর্তমান অবস্থা সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন এবং জনদুর্ভোগ নিরসনে চলমান উন্নয়নকাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন। পরিদর্শনকালে প্রশাসক বলেন, নগরীর সমস্যা সমাধানে শুধু সিটি কর্পোরেশনকে দায়ী করলে চলবে না, নাগরিকদেরও নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করতে হবে। আমরা অনেক সময় সিটি কর্পোরেশনসহ বিভিন্ন সংস্থাকে দোষারোপ করি, কিন্তু নিজেদের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সচেতন হই না। বিশেষ করে দোকানদারদের প্রত্যেকের নিজস্ব ডাস্টবিন রাখতে হবে। সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা প্রতিদিন রাত ১১টায় ময়লা সংগ্রহের জন্য গাড়ি নিয়ে আসেন। এরপরও দোকানের সামনে যত্রতত্র ময়লা ফেলা কোনোভাবেই কাম্য নয়। তিনি বলেন, এ বছর অতিবৃষ্টির কারণে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় পানি জমেছে। পাশাপাশি নগরীর বিভিন্ন খালে চলমান উন্নয়ন ও খননকাজের কারণে কিছু এলাকায় সাময়িকভাবে পানি চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। খননকৃত মাটি সড়কে পড়ে থাকায়ও মানুষের চলাচলে সমস্যা হচ্ছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। প্রশাসক আরও বলেন, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে সড়কে পড়ে থাকা খননকৃত মাটি দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগের বৈদ্যুতিক খুঁটি স্থাপনের কাজও দ্রুত শেষ করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি সিটি কর্পোরেশনের ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সমন্বয়ের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হবে। প্রয়োজনে অতিরিক্ত পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়োজিত করে ড্রেনের মাটি ও বর্জ্য অপসারণ করা হবে। দোকানদার ও এলাকাবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, প্রত্যেক দোকানের সামনে একটি করে ময়লা ফেলার ঝুড়ি রাখতে হবে। দোকানের সামনে ময়লা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট দোকানদারকে জরিমানার আওতায় আনা হবে। এ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হবে। পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে সবাইকে সচেতন হতে হবে। নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রশাসক বলেন, একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ, স্বাস্থ্যকর, নিরাপদ ও জলাবদ্ধতামুক্ত বাসযোগ্য নগরী গড়ে তুলতে সিটি কর্পোরেশনের পাশাপাশি প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা জরুরি। রাস্তা শুধু চলাচলের জায়গা নয়, এরও অধিকার রয়েছে। ডাবের খোসা, প্লাস্টিক ও পলিথিনসহ যত্রতত্র বর্জ্য ফেলার কারণে পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি ডেঙ্গু ও জলাবদ্ধতার ঝুঁকি বাড়ে। তাই প্রত্যেককে নিজের অবস্থান থেকে পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় এগিয়ে আসতে হবে। তিনি বলেন, সিটি কর্পোরেশন নগরবাসীর সেবা ও দুর্ভোগ লাঘবে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। উন্নয়নকাজ বাস্তবায়নের পাশাপাশি নাগরিকদের ভোগান্তি কমাতে আমরা অত্যন্ত আন্তরিক ও সচেতন। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও বাসযোগ্য চট্টগ্রাম গড়ে তোলা সম্ভব। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন শামীম মোহাম্মদ খান, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান এবং নির্বাহী প্রকৌশলী আশিকুল ইসলামসহ সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
Advertisement
অধ্যাপক ড. এ এইচ এম ইয়াহইয়া রহমান: শিক্ষা, গবেষণা ও মানবসেবায় নিবেদিত এক বর্ণাঢ্য জীবন

অধ্যাপক ড. এ এইচ এম ইয়াহইয়া রহমান: শিক্ষা, গবেষণা ও মানবসেবায় নিবেদিত এক বর্ণাঢ্য জীবন