Advertisement

সিরাজদিখানের তাহিয়া ইসলাম শাইরার শিক্ষাজীবনে সাফল্যের ধারাবাহিকতা

সিরাজদিখানের তাহিয়া ইসলাম শাইরার শিক্ষাজীবনে সাফল্যের ধারাবাহিকতা

শিক্ষাজীবনে একের পর এক সাফল্য অর্জন করে নিজের মেধা, অধ্যবসায় ও প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার বাসাইল ইউনিয়নের রসুলপুর (সতুরচর) গ্রামের কৃতী শিক্ষার্থী তাহিয়া ইসলাম শাইরা।

তার পিতা অহিদুল ইসলাম এবং মাতা মনোয়ারা বেগম। ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও সৃজনশীল প্রতিযোগিতায় ছিল তার বিশেষ আগ্রহ।

তাহিয়া ইসলাম শাইরা ২০১৮ সালে পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে কৃতিত্বের পরিচয় দেয়। পরবর্তীতে ২০১৯ সালের মার্চ মাসে প্রকাশিত ফলাফলে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি অর্জন করে সে। শিক্ষাজীবনের এ অর্জন তার সামনে এগিয়ে যাওয়ার পথকে আরও অনুপ্রাণিত করে।

এর ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালে সাভারের চাপাইন মডেল হাই স্কুল থেকে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন করে। সর্বশেষ ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় সাভার ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড

 কলেজ থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়ে সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে।

শুধু পাঠ্যবইয়ের পড়াশোনাতেই নয়, স্কুলজীবন থেকেই বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে নিজের প্রতিভার পরিচয় দিয়েছে তাহিয়া। ২০১৫ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত প্রজাপতি মেলায় আর্ট প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখে সে।

তার এই ধারাবাহিক সাফল্যে পরিবার, স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে আনন্দ ও গর্বের অনুভূতি বিরাজ করছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, মেধা, পরিশ্রম, একাগ্রতা ও পরিবারের অনুপ্রেরণাই একজন শিক্ষার্থীর সাফল্যের অন্যতম ভিত্তি।

তাহিয়া ইসলাম শাইরার এই অর্জন আগামী দিনের শিক্ষার্থীদের জন্যও অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। তার ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবন ও কর্মময় জীবনের সর্বাঙ্গীণ সাফল্য, সুস্বাস্থ্য এবং উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনায় পরিবারের পক্ষ থেকে সকলের কাছে আন্তরিক দোয়া ও আশীর্বাদ কামনা করা হয়েছে।

Advertisement
অধ্যাপক ড. এ এইচ এম ইয়াহইয়া রহমান: শিক্ষা, গবেষণা ও মানবসেবায় নিবেদিত এক বর্ণাঢ্য জীবন

অধ্যাপক ড. এ এইচ এম ইয়াহইয়া রহমান: শিক্ষা, গবেষণা ও মানবসেবায় নিবেদিত এক বর্ণাঢ্য জীবন