বাকৃবিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে সোনালী দলের আলোচনা সভা
-
অনলাইন ডেস্ক
- আপডেট সময় : ১০:৪৪:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬
- ময়মনসিংহ
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন কক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের সোনালী দলের উদ্যোগে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
সোনালী দলের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. এ. কে. এম আদহামের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য জনাব মো. আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. মাসুমা হাবিব। অনুষ্ঠানের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন আয়োজন বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. আরিফুল ইসলাম। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ বায়োলজি অ্যান্ড জেনেটিক্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. সামছুল আলম। মূল আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড হাইজিন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমান এবং ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজির অধ্যাপক ড. মো. শহিদুল হক। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সোনালী দলের সভাপতি ড. মো. হাম্মাদুর রহমান।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক, কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী এবং সোনালী দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, তাৎপর্য এবং বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে দিবসটির গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়। দিবসটির চেতনা, জাতীয় ঐক্য ও সংহতির গুরুত্ব তুলে ধরার পাশাপাশি দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় এর তাৎপর্য আলোচনায় স্থান পায়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মো. আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ বলেন, “বিএনপির দুঃসময়ে সোনালী দল গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছে। এ জন্য আপনাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। বিশ্ববিদ্যালয়ে আমি কিছু শিখতে আসি, বক্তব্য দিতে আসি না। আজকের এ আয়োজন আমাকে ধৈর্যসহকারে অনেক কিছু শেখার সুযোগ করে দিয়েছে।
স্বাধীনতার ঘোষক ও জাতীয়তাবাদী চেতনার প্রতীক মানবিক নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া অত্যন্ত সফলভাবে এ দেশের মানুষ ও মাটিকে ভালোবেসে তাঁর ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করেছেন। বিএনপির মধ্যেও বয়সের কারণে তারেক রহমানের নেতৃত্ব নিয়ে কারও কারও মধ্যে অনাস্থা ছিল। তবে দলের একজন নগণ্য কর্মী হিসেবে তাঁর প্রতি আমার আস্থা ছিল।
তিনি আরও বলেন, “আজকের প্রজন্ম ৭ নভেম্বরের তাৎপর্য সম্পর্কে যথাযথভাবে জানে না। ফ্যাসিস্ট সরকার পাঠ্যবইয়ের পাতা থেকে এ দিনের ইতিহাস সরিয়ে দিয়েছে। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকসহ আপনাদের সবার প্রতি আমার অনুরোধ, ৭ নভেম্বরের চেতনা নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। এ দায়িত্ব আপনাদেরই নিতে হবে। পাশাপাশি জনাব তারেক রহমানের সরকারকে আপনারা সহযোগিতা করবেন।”
জনপ্রিয়


















