Advertisement

‘দেশু ৭’ কেমন আয় করছে?

‘দেশু ৭’ কেমন আয় করছে?

মুক্তির আগে প্রচারণা নিয়ে বেশ আলোচনায় ছিল দেব ও শুভশ্রী গাঙ্গুলীর নতুন সিনেমা ‘দেশু ৭’। কলকাতা থেকে শুরু করে ত্রিপুরার আগরতলা; বাংলাভাষী রাজ্যের একাধিক শহরে প্রচার অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন এই জুটি। তাদের মঞ্চের বিভিন্ন মুহূর্ত ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক মাধ্যমে। দর্শকদের আগ্রহের পাশাপাশি দেব-শুভশ্রীর রসায়ন নিয়েও হয়েছে আলোচনা।

এবার প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পর নজর ছবিটির বক্স অফিস সংগ্রহে। দুর্গাপূজায়, গত ১৬ অক্টোবর মুক্তি পায় সিনেমাটি। গত রোববার (১৮ অক্টোবর) পর্যন্ত, মুক্তির তিন দিনে কত আয় করেছে সিনেমাটি, এবার তার খবর এলো। ভারতীয় এক গণমাধ্যমসূত্রে বলা হয়েছে, দেবের আগের সিনেমার ‘ধূমকেতু’র প্রথম উইকেন্ডের আয়ের অঙ্ক পেরোতে পারেনি ‘দেশু ৭’।

শুধু রোববারের হিসাব অনুযায়ী, এদিন ভারতীয় বক্স অফিসে প্রায় ৭২ লাখ রুপি নেট আয় করেছে ‘দেশু ৭’। এতে ভারতে ছবিটির মোট নেট আয় দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ২১ লাখ রুপি। গ্রস আয় হয়েছে ২ কোটি ৫৭ লাখ রুপি। রোববার সকালে প্রেক্ষাগৃহে দর্শক উপস্থিতির হার ছিল ১৩ দশমিক ৫০ শতাংশ। সন্ধ্যার শোয়ে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৩০ দশমিক ২৫ শতাংশে। অর্থাৎ শেষের দিকে ছবিটির দর্শক উপস্থিতি ও আয়ে উন্নতি দেখা গেছে।

তবে দেবের আগের ছবি ‘ধূমকেতু’র তুলনায় এখনো পিছিয়ে ‘দেশু ৭’। ‘ধূমকেতু’ মুক্তির প্রথম রোববারে নেট আয় করেছিল ৯৯ লাখ রুপি। সেই তুলনায় ‘দেশু ৭’-এর রোববারের আয় কম। অবশ্য ২০২৬ সালে মুক্তি পাওয়া বাংলা সিনেমাগুলোর মধ্যে প্রথম দিনে সর্বোচ্চ আয়ের রেকর্ড গড়েছে ছবিটি। মুক্তির দিনে এর নেট সংগ্রহ ছিল ৭০ লাখ রুপি। ব্যাপক প্রচারণা ও সপ্তাহান্তে আয়ের উন্নতির পর এখন পূজার বাকি দিনগুলোতে ছবিটি কতটা দর্শক টানতে পারে, সেদিকেই নজর থাকবে।

দেব-শুভশ্রীর এই সপ্তম যৌথ সিনেমার মধ্য দিয়ে প্রথমবার পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেছেন দেব। গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন অনির্বাণ ভট্টাচার্য। পূজার ছুটিতে একই সময়ে মুক্তি পাওয়া ‘দ্য একেন: কেরালা এক কুরুক্ষেত্র’, ‘এম্পেরর ভার্সেস শরৎচন্দ্র’ এবং ‘বহুরূপী: দ্য গোল্ডেন ডাকু’র সঙ্গে প্রতিযোগিতা করছে সিনেমাটি। তবে ‘দেশু ৭’ মুক্তির আগে সিনেমাটি নিয়ে দর্শকের মাঝে ছিল প্রবল আগ্রহ। তবে সে তুলনায় আয় আশানুরূপ, এমনটাই বলছে সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে, কলকাতার একটি দুর্গাপূজার মণ্ডপে পদপিষ্টের ঘটনার পর সরকার কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করলেও প্রেক্ষাগৃহে দর্শকের উপস্থিতি মোটামুটি স্থিতিশীল রয়েছে।